Blog

  • ফোন চার্জে রেখে ঘুমানো কি নিরাপদ? Android Battery সম্পর্কে সত্য

    ফোন চার্জে রেখে ঘুমানো কি নিরাপদ? Android Battery সম্পর্কে সত্য

    আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আসা করি সকলে ভালোই আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর দয়ায় আমিও অনেক ভালো আছি। আজকে আবার আপনাদের সামনে নতুন একটা topic নিয়ে হাজির হলাম। আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করব ফোন চার্জ এ রেখে ঘুমানো আমাদের জন্য নিরাপদ কিনা এবং battery সম্পর্কে কিছু সত্য জানবো।

    বর্তমান সময় smartphone ব্যাবহার করেনা এরকম মানুষ পাওয়া কঠিন। আর বর্তমান সময়ের generations এর একটা জিনিস common তা হল আমরা রাতে ফোন চার্জ এ লাগিয়ে দিয়ে ঘুমিয়ে পড়ি এবং আমাদের ফোন সারারাত চার্জ হতে থাকে। অনেকেই ব্যস্থতার কারণে আমাদের ফোন কে চার্জ দেয়ার সময় পাইনা, আর এই কারণে মূলত রাতে চার্জ এ দিয়ে ঘুমিয়ে পড়ি এবং সকালে ঘুম থেকে উঠে চার্জ থেকে খুলে ফেলি।

    Android ফোনে Battery কিভাবে কাজ করে?

    বর্তমান সময়ে বেশির ভাগ ফোনে Lithium-ion বা Lithium-polymer battery ব্যাবহার করা হয়, এসব battery ব্যাবহার করার অনেক সুবিধা আছে। Smartphone এ এসব battery ব্যাবহার করার কারণে আমাদের ফোনের battery খুব দ্রুত চার্জ হয়। দীর্ঘ সময় ধরে চার্জ ধরে রাখতে পারে আমাদের ফোনের battery এবং smart charging features থাকে এসব battery তে। Battery তে যতটুকু চার্জ দরকার সে পরিমাণ চার্জ হয়ে গেলে automatic charge নেয়া বন্ধ করে দেয় এসব battery এবং এই কারণে আধুনিক smartphone গুলোতে battery protection সিস্টেম থাকে।

    Overnight Charging কি সত্যিই ক্ষতিকর?

    Overnight Charging আমাদের ফোনের জন্য ক্ষতিকর নয়। আধুনিক প্রায় সকল ফোনেই Smart Charging System থাকে, এই কারণে overnight charge দিলে কোনো সমস্যা হয়না। নির্দিষ্ট পরিমাণ চার্জ হয়ে গেলে আমাদের ফোন charge নেয়া automatic বন্ধ করে দেয়, যার কারণে আমাদের ফোন তেমন কোনো সমস্যা হয়না। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে।

    আধুনিক Android ফোনে থাকে:

    • Overcharge protection
    • Temperature control
    • Smart battery management

    এই ফিচারগুলো ব্যাটারিকে সুরক্ষিত রাখে। তবু আপনার নিজের safety নিজের কাছে রাখবেন।

    Overnight Charging এর সম্ভাব্য সমস্যা

    আপনার ফোন যদি overnight charge দেন তাহলে আপনার ফোনে অনেক রকম সমস্যা হতে পারে। আপনার ফোন overnight charge দেয়ার কারণে আপনার ফোনের battery heat হতে পারে এবং আপনার ফোনের battery life কম হয়ে যেতে পারে। 100% charge হওয়া অনেক সময় battery এর উপর চাপ তৈরি করে এই কারণে আপনার ফোন overnight charge না দিয়ে যদি 20-80% এই rule follow করে চার্জ দেন তাহলে আপনার ফোন এবং battery অনেক safe থাকবে। আপনার ফোন যদি নিম্নমানের এবং নকল চার্জার দিয়ে চার্জ দেন তাহলে আপনার ফোন সমস্যা হওয়ার chance অনেক বেশি, এই বিষয়ে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন। আপনার ফোন সবসময় original charger ব্যাবহার করে charge দিবেন। কম দামি charger ব্যাবহার থেকে বিরত থাকবেন। ফোন যদি বালিশ বা কম্বলের নিচে থাকে, তাহলে তাপ বের হতে পারেনা, এই কারণে ফোন overheating হয়ে থাকে। অবশ্যই এই বিষয় টা মাথায় রাখবেন।

    Overnight Charging করার সময় যেসব বিষয় খেয়াল রাখবেন

    আপনার ফোন কে যদি overnight charge দেয়ার খুব বেশিই প্রয়োজন হয় তাহলে আপনার ফোন চার্জ দেয়ার সময় অবশ্যই আপনার ফোনের original charger ব্যাবহার করবেন। আপনার ফোন অবশ্যই নকল বা নিম্নমানের charger ব্যাবহার থেকে দুরে থাকবেন। আপনার ফোন কে অবশ্যই খোলা জায়গায় রাখবেন, আপনার ফোন যেন ঠিক মত হাওয়া পায় এবং তাপ বের করে দিতে পারে এই কারণে। আপনার ফোন কে বালিশ বা কম্বলের নিচে চার্জ এ দিবেন না। আপনার ফোনের চার্জ ২০-৮০% এর মধ্যে রাখার চেষ্টা করবেন। অনেক বিশেষজ্ঞ বলেন ২০% থেকে ৮০% চার্জ রাখা battery health এর জন্য ভালো।

    বর্তমান অনেক ফোনে নতুন প্রযুক্তি রয়েছে যেমন:

    • Adaptive Charging
    • AI Battery Management
    • Optimized Charging

    এই প্রযুক্তি ফোনকে ধীরে ধীরে চার্জ করে যাতে battery health ভালো থাকে।

    Android ফোনে overnight charge দেয়া তেমন ক্ষতিকর নয়। তবু যদি আপনার ফোন overnight charge দেয়ার প্রয়োজন হয় তাহলে অবশ্যই এই বিষয় গুলো মাথায় রাখবেন। আপনার ফোনের battery health ভালো রাখতে অবশ্যই কিছু সতর্কতা মেনে চলা উচিত। যদি আপনি original charger ব্যবহার করেন এবং ফোনকে অতিরিক্ত গরম হওয়া থেকে বাঁচান, তাহলে রাতভর চার্জে রাখলেও বড় ধরনের সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। আসা করি কিছুটা হলেও আপানাদের বোঝাতে পেরেছি। তারপরেও আপনাদের কোথাও বুঝতে সমস্যা হলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানিয়ে দিবেন।

  • Android Root কি নিরাপদ? Root করার আগে যেসব বিষয় জানা জরুরি

    Android Root কি নিরাপদ? Root করার আগে যেসব বিষয় জানা জরুরি

    আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আসা করি সকলে ভালোই আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর দয়ায় আমিও অনেক ভালো। আজকে আবার আপনাদের সামনে নতুন একটা topic নিয়ে হাজির হলাম। আজকে আপনাদের সাথে আলোচনা করব Android Root নিরাপদ কিনা এবং Root করার আগে যেসব বিষয় অবশ্যই আপনার জানা প্রয়োজন।

    বর্তমান সময়ে Android ফোন ব্যাবহার করেনা এরকম মানুষ পাওয়া কঠিন। Android ফোন আমাদের জীবনের সাথে এমন ভাবে জরিয়ে গেছে যে Android ছাড়া যেন জীবন কল্পনাও করা যায়না। Android root এমন একটা system, যার মাধ্যমে পুরো ফোন এর access বা admin access নেয়া যায়। আমরা যখন Android ফোন ব্যাবহার করি আমাদের সামনে যা আসে সব limited করা। আমাদের যে যে permission দেয়া থাকে আমরা শুধু সেই কাজ গুলোই করতে পারি। আমাদের Android এর full access আমাদের কাছে থাকেনা। আর এই full access পাওয়ার জন্য আমাদের Android ফোন কে root করতে হবে। আমরা যদি ফোন root করি তাহলে আমাদের ফোনের full access পাবো এবং যেকোনো কিছু change করতে পারব।

    সহজভাবে বলতে গেলে—

    👉 Root = Android ফোনের সম্পূর্ণ Administrator Access পাওয়া।

    Android Root কেন করা হয়?

    অনেক ব্যবহারকারী তাদের ফোনের advanced customization করার জন্য Root করে থাকে। অনেকে আছে যারা limited কে unlimited করার জন্য root করে থাকে। Android ফোন যখন root করা হয় তখন android ফোন এর যেকোনো কিছু পরিবর্তন করা সম্ভব। এটা সবচেয়ে সহজ মাধ্যম Android ফোন root করার জন্য। আপনি যদি আপনার android ফোন কে root করেন, তাহলে আপনার android ফোনের custom rom থেকে শুরু করে সবকিছু চাইলে পরিবর্তন করতে পারবেন। মানে এক কথায় root করলে full ফোনের access আপনার কাছে থাকবে।

    Root করার মাধ্যমে আপনি এমন অনেক কাজ করতে পারবেন যা সাধারণ Android ফোনে সম্ভব নয়।

    যেমনঃ

    • System App remove করা
    • Custom ROM install করা
    • Phone performance বাড়ানো
    • Advanced apps ব্যবহার করা

    Android Root করার সুবিধা

    আপনার ফোন root করার মাধ্যমে সহজেই আপনার ফোনের system app delete করতে পারবেন। আমাদের ফোনের system এ যেসব app আছে এই app গুলো সাধারণত delete করা যায়না। কিন্তু আপনি যদি আপনার android phone কে root করেন তাহলে খুব সহজেই আপনার android ফোনের system app কে delete করতে পারবেন। আপনার ফোনের system app চাইলে আপনি replace ও করতে পারবেন।

    আপনি যদি চান তাহলে আপনার ফোনের custom rom পরিবর্তন করতে পারবেন। আমাদের ফোনের custom rom পরিবর্তন করা সাধারণ ভাবে সম্ভব না। কিন্তু আপনি যদি আপনার ফোন root করে তাহলে খুব সহজেই আপনার ফোনের custom rom পরিবর্তন করতে পারবেন। আমরা ফোন যে যে features উপভোগ করতে পারি এসব features আমাদের rom এ থাকে। stock rom এর feature গুলো আমরা উপভোগ করতে পারি। আপনি যদি আপনার ফোন root করে custom rom install করেন তাহলে অন্য ফোনের মত features সহজেই আপনার ফোনে সহজেই উপভোগ করতে পারবেন।

    আপনার ফোন root করার মাধ্যমে আপনার ফোনের CPU control করতে পারবেন। আপনার ফোন RAM optimization করতে পারবেন। Overclock/Underclock করতে পারবেন। এসব বিষয় গুলো optimization করার মাধ্যমে সহজেই আপনার ফোনের performance কয়েক গুণে বাড়াতে পারবেন।

    আপনার ফোন root করার মাধ্যমে আপনার ফোনের full backup নিতে পারবেন। আপনি root করলে আপনার ফোনের full complete system আপনি backup নিতে পারবেন। App data, System files, Settings এগুলা আপনি সহজেই backup নিতে পারবেন।

    আপনার ফোন root করলে অনেক advanced app ব্যাবহার করতে পারবেন। সাধারণ অবস্থায় এসব app আপনার ফোনের ব্যাবহার করতে পারবেন না। Titanium Backup, Greenify, Root Explorer এসব app সাধারণ অবস্থায় আপনার ফোন কাজ করবে না। এসব app ব্যাবহার করতে হলে অবশ্যই আপনার ফোন কে root করতে হবে।

    Root করার মাধ্যমে আপনার ফোনের background process control করতে পারবেন। যার মাধ্যমে আপনার ফোনের battery life encrease করতে পারবেন একদম সহজে। সাধারণ অবস্থায় ফোনের background process ঠিক ভাবে control করা যায়না কিন্তু আপনি root করলে আপনার ফোনের full background process আপনার control এ চলে আসবে।

    Android Root করার অসুবিধা

    আপনার android phone root করলে আপনার android ফোনের warranty void হয়ে যাবে। যদি কোনোভাবে আপনার ফোন সমস্যা হয় তাহলে আপনার ফোন এর warranty claim করতে পারবেন না। এই কারণে যদি root করেন তাহলে warranty claim এর চিন্তা বাদ দিয়ে root করতে হবে।

    ফোন root করলে ফোনের security risk অনেক বেড়ে যায়। ফোন root করলে ফোনের system access open হয়ে যায়, এই কারণে malicious app বা virus সহজেই আপনার ফোন attack করতে পারবে। এই বিষয় টা অবশ্যই খেয়াল রাখবেন যদি আপনার ফোন root করতে চান তাহলে।

    আপনার ফোন root করার সময় আপনার ফোন brick হয়ে যেতে পারে। আপনার ফোন যদি কোনভাবে brick হয়ে যায় তাহলে আপনার ফোন আর ব্যাবহার করতে পারবেন না। আপনার ফোন অকেজো হয়ে যাবে। তাই আপনার ফোন root করার সময় অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

    আপনার ফোন root করলে আপনার ফোনে আর official কোনো update পাবেন না। আর যদি কোনভাবে update পেয়ে যান আপনার ফোনের about section থেকে তবু আপনার ফোন কে update করতে পারবেন না আপনার ফোন root হওয়ার কারণে।

    অনেক banking বা security app আমাদের root করা ফোন কে detect করে। এই বিষয় টা অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে। আপনার ফোন কে যদি root করেন অনেক app আছে যেই app গুলো root detect করে এবং আপনার ফোনে চলবে না। অবশ্য এটা bypass ও করা যায়, অনেক method আছে।

    Root করা কি নিরাপদ?

    Root করা সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য সবসময় নিরাপদ নয়। আপনি যদি advance level এর ব্যাবহারকারি হয়ে থাকেন তাহলে root করা আপনার জন্য নিরাপদ।

    যদি আপনি

    • Android system সম্পর্কে ভালো জানেন
    • Root process বুঝেন
    • Risk নিতে প্রস্তুত

    তাহলে Root করা যেতে পারে।

    অন্যথায় সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য Root না করাই ভালো।

    Root করার আগে যে বিষয়গুলো জানা জরুরি

    আপনার ফোন root করতে হলে অবশ্যই কয়েকটা বিষয় জানা অনেক জরুরি। root করার পূর্বে অবশ্যই আপনার ফোনের full backup নিয়ে নিবেন। কেননা root process এর সময় অনেক সমস্যা হতে পারে। অবশ্যই আপনাকে root method ভালভাবে বুঝতে হবে, root process সম্পর্কে আপনার ভালভাবে ধারণা থাকতে হবে। Root করার সময় অবশ্যই trusted tool ব্যাবহার করতে হবে, trusted tool ব্যাবহার করে যদি root না করেন তাহলে আপনি অনেক সমস্যায় পড়তে পারেন। ফোনের device model এর উপরে ফোনের root এর system depend করে। আপনার ফোনের model অনুযায়ী আপনি youtube বা google এ search দিলে অনেক instructions পাবেন এবং খুব সহজেই আপনার ফোন কে safely root করতে পারবেন।

    Android Root ব্যাবহারকারিদের উপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ দেয়। আপনি যদি খুব advance level এর ব্যাবহারকারি হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনার ফোন কে root করতে পারেন। আর আপনি যদি normal ব্যাবহারকারি হয়ে থাকেন তাহলে আপনার ফোন root করার প্রয়োজন নেই। আসা করি কিছুটা হলেও root সম্পর্কে আপনাদের বোঝাতে পেরেছি। তারপরেও আপনাদের কোথাও বুঝতে সমস্যা হলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানিয়ে দিবেন। আজকের মত এই পর্যন্তই। ভালো থাকবেন, নিরাপদ থাকবেন। ধন্যবাদ।

  • Android System WebView কী এবং এটি ফোনে কী কাজ করে?

    Android System WebView কী এবং এটি ফোনে কী কাজ করে?

    আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আসা করি সকলে ভালোই আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর দয়ায় আমিও অনেক ভালো আছি। আজকে আবার আপনাদের সামনে নতুন একটা topic নিয়ে হাজির হলাম। আজকে আপনাদের সাথে কথা বলব Android System WebView কি এবং এটা কিভাবে ফোনে কাজ করে।

    বর্তমান সময়ে Android ফোন ব্যাবহার করেনা এরকম মানুষ পাওয়া অনেক কঠিন। আর বর্তমানে Android আমাদের জীবনে এমন ভাবে জরিয়ে গেছে যে android ফোন ছাড়া জীবন কল্পনাও করা যায়না। আমরা android ফোনে অনেক browser ব্যাবহার করে থাকি। আমরা আমাদের ফোনে হয়তো একবার হলেও Android System Webview ব্যাবহার করেছি।

    Android System WebView কী?

    Android system webview এমন একটা system component যা আমাদের ফোনের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এটা এমন একটা system, আমাদের ফোনের ভিতরে কোনো app এ যদি link পাই বা অন্য কোনো browser view পাই তাহলে built-in Android System WebView ই কাজ করে থাকে। যেমন ধরেন free fire গেম, আপনি হয়ত free fire game এ অনেক event দেখেছেন। এসব event এ অনেক সময় আমাদের সামনে অনেক রকম link বের হয়, এরকম link এ যখন ক্লিক করি। তখন আমাদের সামনে Android System WebView কাজ করে।

    Android System WebView কেন দরকার?

    আমাদের ফোনে যদি Android System WebView না থাকে তাহলে আমাদের কোনো app ই ঠিকভাবে কাজ করবে না। আমাদের Android ফোনের জন্য Android System WebView app অনেক বেশি দরকার। নাহলে আমরা কোনো app এ link থাকলে তা কাজ করবে না। কারণ অনেক apps তাদের ভিতরে web content ব্যবহার করে।

    যেমন:

    • Facebook
    • Instagram
    • Twitter
    • Gmail
    • News apps
    • Shopping apps

    এই apps গুলো অনেক সময় app এর ভিতরেই web page open করে

    সেই web page display করার জন্য WebView প্রয়োজন হয়।

    Android System WebView কীভাবে কাজ করে?

    Android System WebView আমাদের android ফোনের google chrome browser এর rendering engine হিসেবে কাজ করে। আমরা যখন app এ থাকা কোনো লিঙ্ক এ ক্লিক করি। তখন app সেই link webview component এ পাঠায়। WebView সেই page কেই rendering করে এবং user সেই app এর ভিতরেই web page দেখতে পায়।

    Android System WebView কোথায় ব্যবহার হয়?

    Android System Webview এটা অনেক জায়গাতে ব্যাবহার করা হয়। In app browser এ সবচেয়ে বেশি ব্যাবহার হয়ে থাকে। আমরা facebook বা instagram এ কোনো link এ ক্লিক করলে সেই app এর ভিতরেই আমরা web page দেখতে পারি। এই ক্ষেত্রে web view ব্যাবহার হয়ে থাকে। আবার বিভিন্ন app এর login পেইজ এ এটা ব্যাবহার করা হয়। অনেক app আছে web based, এসব web based app গুলো web view ব্যাবহার করে তাদের login page এ নিয়ে যায়। Online payment করার ক্ষেত্রে web view ব্যাবহার করা হয়ে থাকে। অনেক app আছে যে app গুলো SSLCommerz, Stripe, PayPal ইত্যাদি third party ওয়েবসাইট এর payment method ব্যাবহার করে থাকে এরকম payment method এ কাজ করতে হলে অবশ্যই web view ব্যাবহার করতে হবে।

    Android System WebView Update করা কেন জরুরি এবং উপায়?

    WebView update করা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। যদি আমরা WebView update না করি তাহলে ঠিক ভাবে কাজ করবে না। অনেক update এ security এবং bug fix করা হয়। Faster performance এবং Website compatibility ঠিক করতে হলে অবশ্যই আমাদের Android ফোনের WebView Update করা অনেক জরুরি। এছাড়া chrome update করলেও অনেক সময় webview automatic update হয়ে যায়।

    WebView update করার জন্য:

    ১. Google Play Store এ যান
    ২. Search করুন Android System WebView
    ৩. Update button এ click করুন

    আপনি এইভাবে আপনার Android System WebView কে সহজেই update করতে পারবেন।

    আসা করি কিছুটা হলেও আপনাদের বোঝাতে পেরেছি। তারপরেও আপনাদের কোথাও বুঝতে সমস্যা হলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানিয়ে দিবেন। আজকের মত এখানেই বিদায় নিচ্ছি। ভালো থাকবেন, নিরাপদ থাকবেন। ধন্যবাদ।

  • Android মোবাইলে Mobile Data চালু কিন্তু ইন্টারনেট চলছে না? সমাধান দেখুন

    Android মোবাইলে Mobile Data চালু কিন্তু ইন্টারনেট চলছে না? সমাধান দেখুন

    আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আসা করি সকলে ভালোই আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর দয়ায় আমিও অনেক ভালো আছি। আজকে আবার আপনাদের সামনে নতুন একটা topic নিয়ে হাজির হলাম। আজকে আপনাদের সাথে কথা বলব আপনার Android মোবাইলে এ Mobile Data চালু কিন্তু ইন্টারনেট চলছে না এটার কারণ কি?

    বর্তমান সময় Android ফোন নাই এরকম মানুষ পাওয়া অনেক কঠিন। দিন মজুর থেকে শুরু করে প্রায় সবাই Android ফোন ব্যাবহার করে থাকে। আমরা সবাই mobile data ব্যাবহার করে Facebook, whatsapp, Browser থেকে শুরু করে প্রায় সব ধরনের app ব্যাবহার করে থাকি। এখন internet ছাড়া প্রায় কোনো app এর ই Full সুবিধা পাওয়া যায়না। এই সমস্যা টা android ব্যাবহারকারিদের জন্য একটা সাধারণ সমস্যা, আমরা চাইলে খুব সহজেই এই সমস্যা টা ঠিক করতে পারব। আজকের আর্টিকেলে আমরা এটাই জানব যদি আপনার Android মোবাইলে এ Mobile Data কাজ না করে তাহলে কি করতে পারি।

    Android ফোনে Mobile Data কাজ না করার সম্ভাব্য কারণ ও সমাধান:

    Network সমস্যার কারণে আমাদের মোবাইলে অনেক সময় Mobile Data কাজ করেনা। আমরা যদি network সমস্যা সমাধান করতে পারি তাহলে একদম সহজেই mobile data চালু করলে কাজ করবে। আমাদের ফোনের network সমস্যা যদি হয় তাহলে এমন জায়গায় যেতে হবে যেখানে গেলে network পাবে, আপনি ফাকা একটা জায়গায় যেতে পারে সেখানে গেলে network পাবেন। আবার অনেক সময় ফোনের সমস্যার কারণে network সমস্যা হয়ে থাকে, যদি আপনার ফোন এরকম সমস্যা হয় তাহলে আপনার ফোন airplane mode চালু করে আবার বন্ধ করে দিবেন। তাহলে আসা করা যায় আপনার mobile data perfectly কাজ করবে।

    আপনার ফোনে airplane mode চালু আছে কিনা এটা অবশ্যই চেক করবেন। অনেক সময় আমাদের ফোনে airplane mode চালু করে আবার বন্ধ করতে ভুলে যাই। আবার অনেক সময় দেখা যায় আমাদের ফোনের airplane mode automatic চালু হয়ে যায়। এই কারণে অবশ্যই আপনার ফোনের airplane mode বন্ধ করবেন। তারপর mobile data চালু ইনশাল্লাহ দেখবেন আপনার mobile data ভালভাবেই কাজ করবে।

    আপনার android ফোন কে restart করুন। আপনার android ফোনে যদি উপড়ের একটা system ও কাজ না করে তাহলে আপনার android ফোন কে restart করুন। আপনার android ফোন কে restart দিলে ইনশাল্লাহ ভালভাবেই কাজ করবে।

    আপনার এলাকায় যদি network দুর্বল থাকে তাহলে আপনার mobile data ঠিক ভাবে কাজ করবে না। এই কারণে আপনার ফোনের network ঠিক আছে কিনা এটা চেক করে দেখুন। ফাকা জায়গায় জান, খোলা জায়গায় গিয়ে আপনার mobile network ঠিক আছে কিনা এটা চেক করুন।

    আপনার ফোনের data limit শেষ হয়ে গেছে কিনা এটা চেক করুন। অনেক সময় আমাদের ফোনে data limit দেয়া থাকে তাই যদি আমাদের ফোনে data limit দেয়া থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের সিমের data limit off করে দিবেন। তাহলেই ইনশাল্লাহ আপনার ফোনের mobile data কাজ করবে ভালভাবে।

    আপনার ফোনের APN settings ঠিক আছে কিনা এটা চেক করুন। অনেক সময় আমাদের ফোন apn settings delete হয়ে থাকে বা ভুল apn settings দেয়া থাকে। আপনার ফোনে যদি এরকম সমস্যা হয় তাহলে অবশ্যই আপনার ফোন এ apn settings ঠিক করে নিবেন।

    APN ঠিক করার উপায়ঃ

    1. Default APN সেট করুন
    2. Settings এ যান
    3. Mobile Network / SIM Network এ ক্লিক করুন
    4. Access Point Names (APN) নির্বাচন করুন

    আপনার ফোনের sim card খুলে আবার লাগিয়ে দেখতে পারেন। এটা অনেক ভালো কাজ করে। আপনার যদি খুব বেশি সমস্যা হয়ে থাকে তাহলে আপনার ফোনের সিম কার্ড আগে খুলে নিবেন এবং তারপর আবার লাগাবেন তাহলেই ইনশাল্লাহ ভালো কাজ করবে।

    আপনার ফোনের software update চেক করুন। আপনার ফোনের software এর update আসছে কিনা এটা চেক করুন। আপনার ফোনে যদি software update এসে থাকে তাহলে আপনার ফোনের software update দেন। তাহলে আসা করা যায় ঠিক হয়ে যেতে পারে।

    যদি উপড়ের একটা tips ও কাজ না করে তাহলে আপনার ফোনের operator এর সাথে যোগাযোগ করুন। আপনার ফোনের operator এর সাথে যোগাযোগ করে সহজেই এটা ঠিক করে নিতে পারবেন।

    আসা করি কিছুটা হলেও আপনাদের বোঝাতে পেরেছি। তবু আপনাদের কোথাও বুঝতে সমস্যা হলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানিয়ে দিবেন। আজকের মত এই পর্যন্তই। আজকের মত বিদায় নিচ্ছি। ভালো থাকবেন, নিরাপদ থাকবেন। ধন্যবাদ।

  • Android ফোনের Storage Full? Internal Storage বাড়ানোর সহজ সমাধান

    Android ফোনের Storage Full? Internal Storage বাড়ানোর সহজ সমাধান

    আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আসা করি সকলে ভালোই আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর দয়ায় আমিও অনেক ভালো আছি। আজকে আমি আপনাদের সামনে নতুন একটা topic নিয়ে হাজির হলাম। আজকে আপনাদের সাথে কথা বলবো Android ফোনে internal storage যদি পূর্ণ হয়ে যায় তাহলে কিভাবে বাড়াতে পারবেন।

    বর্তমান সময়ে Android ফোন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সাথে এমন ভাবে জরিয়ে গেছে যে ফোন ছাড়া যেন সময় ই যায়না। গেম খেলা, ছবি দেখা, গান শোনা, ইন্টারনেট ব্যাবহার থেকে শুরু করে প্রতিটা ক্ষেত্রে android ফোন ব্যাবহার হয়ে থাকে। ফোন অনেক বেশি ভিডিও, audio, game থাকার কারণে আমাদের ফোনের storage full দেখিয়ে থাকে। আজকে আপনাদের কে এই সমস্যার ই সমাধান দেয়ার চেষ্টা করবো। এই storage সমস্যার কারণে অনেক সময় নতুন game install বা update ও করা যায়না। অনেক সময় নতুন ছবি ও ফোনে capture করা যায়না। তবে চিন্তার কিছু নেই, আজকে আপনাদের সাথে কিছু tips share করব যা follow করে আপনি অনেকটাই আপনার internal storage এর space কমাতে পারবেন।

    আজকের এই আর্টিকেলে আমরা জানবো Android ফোনে Internal Storage বাড়ানোর সহজ ও কার্যকর উপায়গুলো।

    Android ফোনে Internal Storage বাড়ানোর সহজ ও কার্যকর উপায়

    আপনার android ফোনের storage বাড়াতে চান তাহলে সহজ কিছু উপায় follow করতে পারেন। আপনার ফোন থাকা অপ্রয়োজনীয় app unistall করে দিন। আমাদের ফোনে অনেক সময় এমন এমন app আমরা install করে রাখি যেসব app এর প্রয়োজন হয়না আমাদের। এসব অ্যাপ আমাদের ফোনের storage ব্যাবহার করে থাকে, এই কারণে আমাদের ফোন থেকে অপ্রয়োজনীয় app সব unistall করে দেন। এভাবে অপ্রয়োজনীয় app unistall করে কয়েক mb থেকে GB পর্যন্ত ফোনের storage ফাকা করতে পারবেন।

    আমাদের android ফোনে বিভিন্ন app ব্যাবহারের সময় app গুলোর জন্য ফোনে cache data জমা হয়ে থাকে। এই কারণে আমাদের ফোন থেকে অবশ্যই cache data গুলো delete করে দিবেন। cache data delete করে দিলে আপনার internal storage থেকে অনেক storage আপনি সহজেই ফাকা করতে পারবেন।

    আপনার ফোনে যেসব বড় বড় অপ্রয়োজনীয় ফাইল আসে এসব ফাইল delete করে দিন। আমাদের ফোনে অনেক সময় আমরা অনেক কিছু download করে থাকি এবং পরবর্তীতে ফাইল গুলো ব্যাবহার করিনা এই কারণে আমাদের ফোনের storage ঠিক ই file গুলো খেয়ে থাকে। তাই আপনার ফোন থাকা অপ্রয়োজনীয় বড় বড় ফাইল গুলো ডিলিট করে ফেলুন। এতে আপনার ফোনের অনেক storage ফাকা হবে।

    আপনার ফোনের photo এবং video cloud storage এ রাখতে পারেন। google drive, google photos এরকম অনেক cloud storage আছে। আপনি যদি cloud storage এ রাখেন তাহলে আপনার ফোনের অনেক জায়গা ফাকা পাবেন। আপনি যখন যে image বা video এর প্রয়োজন হবে আপনি সহজেই download করতে পারবেন। আপনি চাইলে অন্যান্য file ও cloud storage এ রাখতে পারবেন।

    Whatsapp এ থাকা ভিডিও বা image auto download হয়ে থাকে। আপনি auto download বন্ধ করতে পারবেন সহজেই। আপনি যদি auto download বন্ধ করেন তাহলে whatsapp এ আসা image/video automatic ডাউনলোড হবেনা। আপনি চাইলে এটা খুব সহজেই করতে পারবেন। আপনি এটা যদি করেন তাহলে সহজে আপনার ফোনের storage পূর্ণ হবেনা এবং আপনার ফোনে অনেক জায়গা ফাকা পাবেন।

    আপনার ফোনে lite version এর app ব্যাবহার করুন। এখন বেশির ভাগ popular app গুলোর lite version হয়ে থাকে। আপনি lite version ব্যাবহার করলে আপনার ফোনের জায়গা অনেক কম use হবে। যার কারণে আপনার ফোনের external storage অনেক save হবে এবং অনেক বেশি জায়গা পাবেন।

    আপনার ফোনের internal storage যদি খুব কম থাকে তাহলে আপনি micro-SD card ব্যাবহার করতে পারেন। এখন খুব কম দামে অনেক বেশি storage এর SD কার্ড পাবেন মার্কেট এ। Memory Card এ আপনার file, video, music রাখতে পারেন। এটা সবচেয়ে সেরা উপায় যদি আপনার internal storage অনেক কম থাকে।

    Files by google app ব্যাবহার করতে পারেন। আপনি যদি এই app ব্যাবহার করেন তাহলে খুব সহজেই duplicate, junk ফাইল খুঁজে বের করতে পারবেন এবং ডিলিট করতে পারবেন। Large file গুলোও সহজে খুঁজে বের করতে পারবেন।

    আমরা অনেক সময় অনেক কিছু download করে রাখি এবং ডিলিট করতে ভুলে যাই। এসব ফাইল আমাদের download folder এ জমা হয়ে থাকে। আপনার download folder নিয়মিত চেক দিবেন এবং অপ্রয়োজনীয় ফাইল ডিলিট করে দিবেন।

    Factory Reset হল সর্বশেষ উপায়। উপড়ের একটা উপায় ও যদি কাজ না করে তাহলে Factory Reset দিবেন। তাহলে এটা অনেক ভালো কাজ করবে। আপনার ফোন কে অবশ্যই Factory Reset দিবেন যদি উপড়ের একটা tips ও কাজ না করে। তবে মাথায় রাখবেন আপনার ফোন factory reset দিলে আপনার ফোন থেকে সবকিছু ডিলিট হয়ে যাবে। আপনার ফোন factory থেকে বের হলে যেরকম থাকে ওইরকম হয়ে যাবে আপনার ফোন।

    Android ফোন internal বা phone storage full হয়ে যাওয়া একটা সাধারণ সমস্যা। তবে আপনি যদি আমার দেয়া উপড়ের tips গুলো follow করলে আপনি খুব সহজেই অনেক খানি সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। আসা করি কিছুটা হলেও আপনাদের বোঝাতে পেরেছি। তবু আপনাদের কোথাও বুঝতে সমস্যা হলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানিয়ে দিবেন। ভালো থাকবেন, নিরাপদ থাকবেন। ধন্যবাদ।

  • AdSense Approval পাওয়ার জন্য Blogger Blog কিভাবে তৈরি করবেন?

    AdSense Approval পাওয়ার জন্য Blogger Blog কিভাবে তৈরি করবেন?

    আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আসা করি সকলে ভালোই আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর দয়ায় আমিও অনেক ভালো আছি। আজকে আবার আপনাদের সামনে নতুন একটা topic নিয়ে হাজির হলাম। আজকে আপনাদের সাথে কথা বলব Adsense Approval পাওয়ার জন্য Blogger Blog কিভাবে তৈরি করবেন।

    বর্তমান সময়ে blogger এর সংখ্যা অনেক। অন্যদিকে blogger দিন দিন বেড়েই চলছে। আমরা যারা blogging করি, আমাদের ৯৯% এর target google adsense ad network monetize করা। গুগল adsense এর মত cpc বা earning অন্য কোনো ad network থেকে পাওয়া যায়না। আমরা যারা blogging শুরু করি এবং ভালো ভালো unique article লেখার পড়ও adsense এ apply করে approved পাইনা। এই সমস্যা টার কারণ অনেক, তার মধ্যে একটা কারণ হচ্ছে সঠিক ভাবে blog setup না করা। আমরা যদি সঠিকভাবে blog setup করি তাহলে adsense approval পাওয়ার chance অনেক গুণে বেড়ে যাবে।

    Blogger কি?

    এটা গুগল এর একটা free blogging platform, এখান থেকে একদম সহজে এবং ফ্রিতে blog website তৈরি করা যায়। blogger এ ওয়েবসাইট create করলে আমাদের কে একটা sub domain দিয়ে থাকে এবং আর পরবর্তীতে সেই ওয়েবসাইট এ চাইলে custom domain add করতে পারবো। blogger এর সুবিধা হল একদম ফ্রি আপনাকে এক টাকা খরচ করতে হবেনা। আর blogging করার জন্য সবচেয়ে সহজ এবং দ্রুতগতির platform হলো blogger.

    Blogger Blog তৈরি করার Step-by-Step Guide

    Blogger এ আপনি খুব সহজে blog website তৈরি করতে পারবেন। চলুন জেনে নেয়া যাক কিভাবে Blogger এ Blog তৈরি করা যায়।

    Step 1: Blogger এ Account তৈরি

    • blogger.com এ যান
    • Google account দিয়ে login করুন

    Step 2: New Blog Create

    • “Create New Blog” এ ক্লিক করুন
    • Blog name লিখুন
    • Blog address লিখুন

    Example

    teckyhub.blogspot.com

    Step 3: Theme Select করুন

    • একটি simple theme নির্বাচন করুন
    • পরে customize করতে পারবেন
    • কাজ শেষ। আপনার Blog ওয়েবসাইট ready, এখন শুধু customize এবং article লিখতে হবে।

    Blog Design Professional করা

    আপনার blog ওয়েবসাইট এ যদি adsense approval পেতে চান তাহলে অবশ্যই আপনার blog website এর design professional করতে হবে। আপনার blog website এর design যদি proffesional না করেন তাহলে adsense approval পাওয়া কঠিন হয়ে যাবে। Blogger website এ adsense approval পেতে হলে আপনার ওয়েবসাইট এর theme অবশ্যই clean হতে হবে। ভালো কিছু free theme: Median UI, Seo Boost, Fletro এই theme গুলো ব্যাবহার করতে পারেন। Theme ওয়েবসাইট এ setup করে অবশ্যই ভালভাবে আপনার theme কে customize করে নিবেন। আপনার website এর design এমন রাখবেন যেন user friendly হয়। User যেন সহজেই যেকোনো option খুঁজে পায়। একদম সহজ layout রাখবেন।

    AdSense Approval এর জন্য প্রয়োজনীয় Pages

    Google AdSense approval পাওয়ার জন্য কিছু important pages থাকা বাধ্যতামূলক। আপনার ওয়েবসাইট এ যদি google adsense approval পেতে চান তাহলে অবশ্যই আপনার ওয়েবসাইট এ এই ৪ টা necessary pages থাকতেই হবে। আপনার blog এ যদি এই necessary pages গুলো না থাকে তাহলে আপনার adsense approval পেতে সমস্যা হবে।

    এই pages তৈরি করুন:

    📄 About Us

    আপনার এবং আপনার website সম্পর্কে তথ্য এই পেইজ এ শেয়ার করবেন।

    📄 Contact Us

    Visitor যেন আপনার সাথে যোগাযোগ করতে পারে এই ব্যবস্থা করে দিবেন এই পেইজ এ।

    📄 Privacy Policy

    Visitor data কিভাবে ব্যবহার করবেন তা সম্পর্কে লিখবেন।

    📄 Disclaimer

    Website এর content সম্পর্কে ঘোষণা এই পেইজ এ দিবেন।

    SEO Friendly Article লিখুন

    Google Adsense Approval পাওয়ার জন্য সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হল article. আপনার ওয়েবসাইট এর সবচেয়ে important part এইটা। শুধু adsense approval নয় আপনার ওয়েবসাইট এ visitor পাওয়ার জন্য এটা প্রয়োজন। আপনার ওয়েবসাইট এ article পোস্ট করলে অবশ্যই SEO Friendly article পোস্ট করবেন। সর্বনিম্ন ১০০০+ word এর article আপনার ওয়েবসাইট এ publish করার চেষ্টা করবেন। অবশ্যই আপনার ওয়েবসাইট এর পোস্ট গুলো unique হতে হবে। অন্য কোনো ওয়েবসাইট অবশ্যই কোনো article কপি করবেন না। পোস্ট লেখার সময় অবশ্যই heading proper ভাবে ব্যাবহার করবেন।

    কমপক্ষে ১৫-২৫ টা article publish করার পর adsense এ apply করবেন। এর আগে adsense এ apply করবেন না, অবশ্যই আপনার পোস্ট গুলো user friendly এবং seo friendly হতে হবে যেন আপনার ওয়েবসাইট এ visitor আসে। কারণ visitor না থাকলে adsense থেকে লাভ নাই, ইনকাম ও নাই।

    আপনার blogger website এ অবশ্যই custom domain ব্যাবহার করবেন। আর আপনার blog website এ অবশ্যই https enable করে তবেই adsense এ apply করবেন। আপনার ওয়েবসাইট গুগল adsense এ apply করার পূর্বে অবশ্যই আপনার ওয়েবসাইট কে google search console এ add করে নিবেন এবং আপনার ওয়েবসাইট এর sitemap.xml এটা google search console এ add করে নিবেন।

    আপনার blogger website এ adsense approval পাওয়ার জন্য অবশ্যই organic traffic প্রয়োজন। আপনার ওয়েবসাইট এ যদি organic traffic না থাকে তাহলে adsense পাওয়ার chance অন্যে কমে যাবে। আর organic traffic না থাকলে তো adsense পেয়ে লাভ নাই। কোনো ইনকাম করতে পারবেন না।

    উপড়ে যে যে বিষয় গুলো share করলাম। আপনি যদি একটু ভালভাবে follow করেন তাহলে খুব সহজেই আপনার ওয়েবসাইট এ adsense approval নিতে পারেন। আসা করি আপনাদের কিছুটা হলেও বুঝাতে পেরেছি। তারপরেও আপনাদের কোথাও বুঝতে সমস্যা হলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানিয়ে দিবেন। ভালো থাকবেন, নিরাপদ থাকবেন। ধন্যবাদ।

  • ২০২৬ সালে Blogging করে কি সত্যিই টাকা আয় করা যায়? ভবিষ্যৎ ও বাস্তব সত্য

    ২০২৬ সালে Blogging করে কি সত্যিই টাকা আয় করা যায়? ভবিষ্যৎ ও বাস্তব সত্য

    আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আসা করি সকলে ভালোই আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর দয়ায় আমিও অনেক ভালো আছি। আজকে আবার আপনাদের সামনে নতুন একটা topic নিয়ে হাজির হলাম। আজকের এই পোস্টে আপনাদের সাথে কথা বলব আসলে blogging করে টাকা ইনকাম করা সম্ভব কিনা আর এটার ভবিষ্যৎ কি?

    প্রথম দিকে blogging সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ছিল। মানুষ কষ্ট করে ওয়েবসাইট এ blog post করতো এবং ওই পোস্ট গুলা মানুষ দেখতো। এছাড়া পোস্ট গুলো দেখে নিজেদের সমস্যা নিজেরা সমাধান করতো। এখন অনেকেই মনে করেন youtube, tiktok, ai আসার কারণে blogging উঠে গেছে, কিন্তু আসলে এটা সত্য না এখন ও লাখ লাখ মানুষ blogging করছে এবং লাখ লাখ টাকা ইনকাম ও করছে। এখন আসল কথা হল ২০২৬ সালে এসে কি blogging কি আসলেই লাভজনক। Blogging করে কি আসলেই ইনকাম করা সম্ভব কিনা? নতুন রা কেমন সুযোগ সুবিধা পাবে, নতুন রা কি শুরু করতে পারে blogging?

    Blogging কি?

    Blogging হলো এমন একটা ওয়েবসাইট, যেখানে প্রতিদিন তথ্যবহুল পোস্ট লেখা হয় এবং মানুষ এসব পোস্ট google বা অন্যান্য search engine এর সহযোগিতা নিয়ে পড়তে আসে। একেক জন একেক রকমের blog লিখে থাকে। কারো tech সম্পর্কে ভালো ধারনা আছে সে লোক tech related article লিখে থাকে। কারো আবার health সম্পর্কে ভালো ধারনা আছে সেই health related article লিখে থাকে। কারো আবার business সম্পর্কে ভালো ধারনা আসে সে business related article লিখে দেন। কারো আবার e-commerce সম্পর্কে ধারনা আছে, সে আবার e-commerce related পোস্ট লিখে থাকে। আর এটাকেই মূলত blogging বলে। আমরা youtube, tiktok এ ভিডিও এবং audio দেখে অনেক কিছু বুঝি এখানে blogging এর ক্ষেত্রে একই জিনিস শুধু লেখা পড়ে বুঝতে হয়।

    ২০২৬ সালে Blogging কি Dead?

    আমরা অনেকেই মনে করি AI এসে blogging শেষ। Blogging কে youtube replace করে নিবে। Blogging করে আর কিছু সম্ভব হবেনা। কিন্তু আসলে ধারনা ভুল blogging করেও এখন অনেক কিছু করা সম্ভব। এখন ও গুগল এ billion billion search হয়ে থাকে। এখন ও বড় বড় company নিজেদের blog website maintain করে থাকে। এখন ও লাখ লাখ ডলার ইনকাম করে এসব blog website থেকে বড় বড় কোম্পানি গুলো। তারমানে আমরা বুঝতে পারলাম ২০২৬ সালে এসে blogging করা যায়।

    Blogging থেকে কীভাবে আয় হয়?

    আপনি blog website থেকে খুব সহজেই ইনকাম করতে পারবেন। আপনার ওয়েবসাইট এ বিভিন্ন ads company এর monetize নিতে পারবেন এবং সেই কোম্পানির দেয়া ads আপনার ওয়েবসাইট এ বসাতে পারবেন। এভাবে আপনি খুব সহজেই আপনার blog website থেকে ইনকাম করতে পারবেন। আর google adsense এর মত ads কোথাও পাবেন ই না। গুগল adsense এর ads আপনার ওয়েবসাইট এ বসিয়ে খুব সহজেই ভালো পরিমাণ ইনকাম করতে পারবেন। গুগল adsense থেকে এখনও মানুষ লাখ লাখ ডলার ইনকাম করে থাকে।

    আপনি চাইলে affiliate marketing করে সহজে আপনার ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে ইনকাম করতে পারবেন। affiliate marketing এমন একটা সিস্টেম, এটার মাধ্যমে আপনি product মানুষ কে review করে দেখাবেন এবং reffer type লিঙ্ক ব্যাবহার করবেন। আপনার দেয়া লিঙ্ক এ যদি কেউ ক্লিক করে কিছু purchase করে তাহলে আপনি commision পাবেন। মানে শুয়ে শুয়েই আপনি চাইলে ইনকাম করতে পারবেন।

    অনেক কোম্পানি আছে যারা blogger দের টাকা দিয়ে থাকে post publish করার জন্য। আপনার ব্লগ ওয়েবসাইট কে যদি আপনি আসলেই ওইরকম কোনো position এ নিয়ে যেতে পারেন তাহলে খুব সহজেই আপনার blog website থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

    আপনি চাইলে Blog Website তৈরি করে ebook, course, tools এগুলা বিক্রি করতে পারবেন। অনেকেই এরকম করে নিজেদের ebook, course, tools বিক্রি করে থাকে।

    আপনার যদি skill থাকে তাহলে আপনি খুব সহজেই SEO service, WEB design service, Consulting service দিতে পারবেন। আপনার যদি skill থাকে তাহলে কোন পেড়া ছাড়াই আপনি ইনকাম করতে পারবেন।

    ২০২৬ সালে Blogging কেন এখনো Powerful?

    ২০২৬ সালে blogging এখন ও অনেক powerful, কেননা google এ এখন ও billion billion search হয়ে থাকে। গুগল search এখন ও অনেক বড় traffic source. গুগল সার্চ এর মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই আপনার ওয়েবসাইট এ visitor আনতে পারবেন। যদি আপনি ভালভাবে seo করতে পারেন এবং আপনার ওয়েবসাইট এ seo friendly, valueable article লিখতে পারেন। আপনি একটা blog লিখলে আপনার একটা blog post অনেক বছর আপনার ওয়েবসাইট এ visitor আনতে পারবে। একবার article লিখলে বছর বছর ইনকাম আসবে। আপনাকে বেশি পেড়া নিতে হবেনা। এটা একটা passive income এর অন্যতম মাধ্যম।

    ২০২৬ সালে Blogging এর ভবিষ্যৎ

    Blogging শেষ হবেনা কিন্তু অনেক কিছু পরিবর্তন হবে। যেহেতু AI মার্কেট এ আছে AI assisted content, more helpful content, niche blog growth, authority websites এরকম helpful content গুগল এখন ও প্রাধান্য দেয়। তারমানে ভবিষ্যতে blogging এর চাহিদা আরও বাড়বে এবং এটা আসা করা যায় চলতেই থাকবে।

    আসা করি কিছুটা হলেও আপনাদের বোঝাতে পেরেছি। তবু আপনাদের কোথাও বুঝতে সমস্যা হলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানিয়ে দিবেন। আজকের মত এখানেই বিদায় নিচ্ছি। ভালো থাকবেন, নিরাপদ থাকবেন। ধন্যবাদ।

  • WiFi Range কি? WiFi Signal কম হলে কিভাবে বাড়াবেন

    WiFi Range কি? WiFi Signal কম হলে কিভাবে বাড়াবেন

    আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আসা করি সকলে ভালোই আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর দয়ায় আমিও ভালো আছি। আজকে আবার আপনাদের সামনে নতুন একটা topic নিয়ে হাজির হলাম। আজকে আপনাদের সাথে কথা বলব WiFi Range কি এবং যদি আপনার WiFi Signal কম হয় তাহলে কিভাবে বাড়াতে পারবেন।

    বর্তমানে ইন্টারনেট আমাদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে গেছে। বর্তমান সময়ে WiFi প্রায় সবাই ব্যাবহার করে। যারা কখনো mobile data কিনেনা তারাও wifi ব্যাবহার করে থাকে। বাসা, স্কুল, কলেজ প্রায় সব জায়গাতে wifi router ব্যাবহার করা হয়। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় বাড়ি থেকে একটু দুরে গেলেই wifi signal দুর্বল হয়ে গেছে। এই সমস্যা টার আসল কারণ আমাদের wifi এর range কম হওয়া।

    WiFi Range কি?

    যেখানে router বসানো হয় সেখান থেকে কতদূর গেলে wifi signal পাওয়া যায়। এটাকেই মূলত wifi range বলে। একটি সাধারণ router বাসার মধ্যে প্রায় ২০-৩০ মিটার পর্যন্ত ভালো wifi signal দিতে পারে। অন্যদিকে ফাকা জায়গায় একই router ৭০-১০০ মিটার পর্যন্ত wifi range দিয়ে থাকে। অনেক কারণেই আমাদের wifi এর range কমে যায়। যেমন যদি ঘরের কোনায় নিচে রাখা হয় তাহলে signal ঠিক ভাবে ছড়াতে পারেনা। এই কারণে range কম পায়। দেয়াল, লোহা, দরজা এসব wifi signal কে বাধা দেয় এটার কারণেও wifi signal ঠিক মত ছড়াতে পারেনা। অনেকে আমরা পুরাতন router ব্যাবহার করি, পুরাতন router wifi signal ঠিক ভাবে ছড়াতে পারেনা। পুরাতন router এর signal power কম হয়ে থাকে। একই wifi এ যদি অনেক বেশি device connected থাকে তাহলেও wifi range অনেক কম পাবে। একই wifi এ অনেক গুলো device connect থাকলে speed ও range কম পাওয়া যায়। অন্যান্য WiFi Network, Bluetooth Device, Microwave Oven ইত্যাদিও Signal দুর্বল করতে পারে।

    WiFi Range কি বাড়ানো সম্ভব?

    আপনি যদি কিছু কৌশল follow করেন তাহলে অবশ্যই আপনার wifi range বাড়াতে পারবেন। আপনি কিছু সহজ উপায় ব্যাবহার করে সহজেই আপনার wifi range অনেক গুণে বাড়াতে পারবেন।

    WiFi Range বাড়ানোর সহজ উপায়

    আপনার wifi range যদি বাড়াতে চান তাহলে আপনার wifi router এমন জায়গায় রাখুন যেখান থেকে signal খুব ভালো ছড়াতে পারে। আপনার wifi router বাসার মাঝামাঝি ও উঁচু জায়গায় রাখতে পারেন এরকম জায়গায় রাখলে আপনার wifi range অনেক ভালো পাবে এবং ভালভাবে ছড়াতে পারবে। আমরা router ব্যাবহার করি এক টানা, আমাদের router বন্ধ করা হয়না। এই একটানা active থাকা অনেক সময় আমাদের router কে দুর্বল করে দেয়। তাই মাঝে মাঝে যদি আমরা router restart করি তাহলে আগের চেয়ে অনেক ভালো signal পাওয়া সম্ভব হবে। আপনার router এ যদি Antenna থাকে তাহলে অবশ্যই Antenna ঠিক ভাবে রাখতে হবে। Antenna ঠিক ভাবে set না করার কারণেও অনেক সময় wifi signal অনেক কম পায়। একটা Antenna vertical এবং আরেকটা Antenna কে horizontal ভাবে রাখবেন তাহলে আসা করা পূর্বের চেয়ে অনেক ভালো speed এবং range পাবেন। একই channel এ যদি অনেক গুলো router থাকে তাহলে speed ও range কম পায়, তাই একই channel এ অনেক গুলো router থাকলে আপনার router channel পরিবর্তন করে নিবেন। আপনার wifi range যদি বাড়াতে চান তাহলে wifi extendar ব্যাবহার করতে পারেন। আপনি যদি wifi extendar ব্যাবহার করেন তাহলে অনেক বেশি পরিমাণে range বাড়ানো সম্ভব। wifi extendar router এর signal ধরে আবার ছড়িয়ে দেয়। পুরনো router হলে router পরিবর্তন করে dual band router ব্যাবহার করতে পারেন। আপনি যদি dual band router ব্যাবহার করেন তাহলে আগের চেয়ে অনেক বেশি speed এবং range বাড়ানো সম্ভব হবে। Wifi range বাড়ানোর জন্য অনেক device আছে: WiFi Repeater, WiFi Extender, Mesh WiFi System, High Power Router এই device গুলো আপনার wifi range বাড়াতে অনেক সহযোগিতা করবে। অনেকেই এসব wifi range বাড়ানোর জন্য ব্যাবহার করে থাকে।

    Wifi range কম হওয়া একটি সাধারণ সমস্যা কিন্তু আপনি কিছু উপায় অবলম্বন করলে খুব সহজেই আপনার wifi range বাড়াতে পারবেন। আপনার wifi range বাড়ালে router থেকে অনেক দুরেও আপনার wifi signal provide করতে পারবে। আসা করি কিছুটা হলেও আপনাদের বোঝাতে পেরেছি। তবু আপনাদের কোথাও বুঝতে সমস্যা হলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানিয়ে দিবেন। ভালো থাকবেন, নিরাপদ থাকবেন। ধন্যবাদ।

  • Android Phone Safe Mode: সমস্যা সমাধানের সহজ উপায়

    Android Phone Safe Mode: সমস্যা সমাধানের সহজ উপায়

    আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আসা করি সকলেই ভালো আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর দয়ায় আমিও অনেক ভালো আছি। আজকে আপনাদের সামনে নতুন একটা topic নিয়ে হাজির হলাম। আজকে আপনাদের সাথে কথা বলব Android Phone Safe Mode কি এবং কিভাবে কাজ করে থাকে।

    বর্তমান সময় Android Smartphone আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গী। আমাদের ফোন অনেক সময় অনেক রকম সমস্যা দেখা যায়। এই সব সমস্যা সমাধানের জন্যই Android এর রয়েছে Safe Mode. আপনি যদি Safe Mode এ আপনার Android ফোন কে open করেন তাহলে আপনার ফোন শুধু default app গুলো নিয়ে চালু হবে। আপনার ফোনে install করা third-party app নিয়ে চালু হবেনা। আপনি এই Safe Mode ব্যাবহার করে আপনার Android ফোন কে on করলে খুব সহজেই আপনার ফোনের সমস্যা ধরতে পারবেন।

    Android Safe Mode কিভাবে কাজ করে?

    যখন আপনি Safe Mode চালু করেন তখন Android system কিছু পরিবর্তন করে।

    Safe Mode চালু হলে —

    ✅ সব Third-party apps disable হয়ে যায়। মানে আপনার Android device এ install হওয়া সকল third-party apps গুলো দেখায় না।
    ✅ শুধু system apps চালু থাকে। আপনার ফোন নতুন কেনার পর open করলে যে app গুলা থাকে শুধুমাত্র এই app গুলাই আপনার সামনে দেখাবে।
    ✅ ফোনের core functions স্বাভাবিক থাকে। মানে আপনার ফোনের মুল কাজ গুলো আপনি সহজেই করতে পারবেন। Third-party apps গুলো disabled হবে শুধু।
    ✅ background apps বন্ধ থাকে। আপনি যখন আপনার ফোন Safe Mode এ চালু করবেন তখন আপনার ফোনের background app গুলো বন্ধ থাকে।

    ফলে যদি কোনো app crash, lag, overheating বা battery drain সমস্যা করে তাহলে Safe Mode-এ তা বোঝা যায়।

    Safe Mode ব্যবহার করার কারণ?

    অনেক কারণেই আমাদের android ফোনে safe mode এ ব্যাবহার করার প্রয়োজন হয়ে থাকে। অনেক সময় আমাদের ফোন অনেক বেশি slow হয়ে যায়। অনেক সময় কিছু কিছু app ram বেশি ব্যাবহার করার কারণে আমাদের ফোন slow হয়ে থাকে। আপনি safe mode ব্যাবহার করে খুব সহজেই বুঝতে পারবেন এটা কোনো app এর কারণে হচ্ছে কিনা।

    আপনার ফোন যদি বার বার App Crush করে তাহলে আপনি Safe Mode এ ফোন চালু করলে সমস্যা টা বুঝতে পারবেন এবং একদম সহজেই সমাধান করতে পারবেন।

    অনেক সময় আমাদের ফোন সন্দেহজনক app install করে থাকি, আবার অনেক সময় দেখা যায় app install করেছি কিন্তু unistall করতে পারছি না। এই সমস্যা সমাধান করার জন্য Safe Mode ব্যাবহার করতে পারেন, আপনি Safe Mode এ গিয়ে সহজেই unistall করতে পারবেন।

    আপনার ফোনের battery যদি দ্রুত শেষ হয়ে যায় এবং এই দ্রুত শেষ হওয়ার কারণ যদি কোনো app হয়ে থাকে তাহলে আপনি Safe mode এ গিয়ে খুব সহজেই শনাক্ত করতে পারবেন এবং সেই অনুযায়ী সমাধান করতে পারবেন।

    আমাদের ফোনের কিছু কিছু app ফোনের CPU বেশি ব্যাবহার করে থাকে। আর যদি CPU বেশি ব্যাবহার হয় তাহলে ফোন দ্রুত গরম করে ফেলে। আপনি Safe Mode এ গিয়ে দেখতে পারবেন এটা কোনো app সমস্যা কিনা।

    Android Phone-এ Safe Mode চালু করার নিয়ম

    Android ফোনে Safe Mode চালু করা খুব সহজ।

    Method 1 (Power Button দিয়ে)

    1️⃣ Power button চেপে ধরুন
    2️⃣ Power Off অপশনে long press করুন
    3️⃣ তখন Safe Mode option আসবে
    4️⃣ OK চাপুন

    ফোন Safe Mode-এ restart হবে।


    Method 2 (Boot করার সময়)

    1️⃣ ফোন Restart করুন
    2️⃣ ফোন চালু হওয়ার সময় Volume Down button চাপুন
    3️⃣ কিছুক্ষণ ধরে রাখুন

    ফোন Safe Mode-এ চালু হবে।

    Safe Mode বন্ধ করার নিয়ম

    Safe Mode বন্ধ করা খুব সহজ।

    Method 1

    1️⃣ Power button চাপুন
    2️⃣ Restart করুন

    ফোন স্বাভাবিক mode-এ ফিরে আসবে।


    Method 2

    ফোন Power Off করে আবার On করুন।

    Android ফোনের জন্য Safe Mode একটা গুরুত্বপূর্ণ troubleshooting feature, আপনি এই Safe Mode ব্যাবহার করে অনেক সমস্যা সহজেই সমাধান করতে পারবেন। আপনি এই Safe Mode ব্যাবহার করে সহজেই বুঝতে পারবেন আপনার সমস্যা টা system app নাকি আপনার install করা app এ। যদি আপনার ফোনে lag, overheating, battery drain বা app crash সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে Safe Mode ব্যবহার করে সহজেই সমস্যার কারণ খুঁজে বের করতে পারবেন। আসা করি কিছুটা হলেও আপনাদের বোঝাতে পেরেছি। তবু আপনাদের কোথাও বুঝতে সমস্যা হলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানিয়ে দিবে। ভালো থাকবেন, নিরাপদ থাকবেন। ধন্যবাদ।

  • Mobile Data দ্রুত শেষ হয়ে গেলে কী করবেন? কার্যকর সমাধান

    Mobile Data দ্রুত শেষ হয়ে গেলে কী করবেন? কার্যকর সমাধান

    আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আসা করি সকলে ভালোই আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর দয়ায় আমিও অনেক ভালো আছি। আজকে আবার আপনাদের সামনে নতুন একটা topic নিয়ে হাজির হলাম। আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করব আপনার ফোনের Mobile Data যদি খুব বেশি দ্রুত শেষ হয়ে যায় তাহলে কি করবেন। তারই কার্যকরী সমাধান আপনাদের আজকে দিব।

    বর্তমান সময়ে smartphone অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটা জিনিস। যা আমাদের জীবনের সাথে এমন ভাবে জরিয়ে গেছে যে বলার মত না। এখন আপনি হারিকেন লাগিয়ে খুঁজলেও হয়তো smartphone ছাড়া মানুষ হয়তো পাবেন। আর আমরা যারা smartphone ব্যাবহার করি আমরা সবাই ইন্টারনেট ও ব্যাবহার করে থাকি। আর ইন্টারনেট ব্যাবহার করতে হলে অবশ্যই আমাদের mobile data অনেক জরুরি। আমাদের কিছু ভুল settings বা background app running এছাড়া অন্যান্য সমস্যার কারণে আমাদের mobile data খুব দ্রুত শেষ হয়ে যায়। আজকে আপনাদের সামনে কার্যকরী কিছু সমাধান দিব। আপনি যদি follow করেন তাহলে আসা করি আপনার জন্য অনেক কাজে লাগবে।

    Mobile Data দ্রুত শেষ হওয়ার কারণ:

    অনেক অ্যাপ background এ আপনার mobile data শেষ করে আপনার চোখের অগোচরেই। Facebook, Instragram, Google Photos, Play Store এসব অ্যাপ প্রতিদিন ই data sync করে থাকে, আপনার data তাড়াতাড়ি শেষ হওয়ার এটাও একটা কারণ।

    App Auto Update রাখা এটা আপনার mobile data consume করে থাকে। আমাদের ফোনে অনেক সময় app update আসে যদি আমরা auto update enable করে রাখি তাহলে app update আসা মাত্র instant auto update হয়ে যায় অ্যাপ গুলো। এই কারণে যদি এই setting আপনার ফোন enable করা থাকে তাহলে আপনার app গুলো auto update হয় এবং আপনার Mobile Data consume করে থাকে।

    আমরা যদি facebook, youtube, instagram এবং অন্যান্য প্লাটফর্ম এ যদি HD Quality তে ভিডিও দেখি তাহলে আমাদের mobile data দ্রুত শেষ হবে এটাই স্বাভাবিক। আমরা খেয়াল ই করিনা কিন্তু দেখা যায় HD Quality তে আমাদের streaming চলতে থাকে এই কারণে mobile data দ্রুত শেষ হয়ে যায়।

    অনেক সময় আমাদের ফোনের ছবি ভিডিও automatic google photos বা icloud এ backup হয়ে থাকে। এই কারণে আমাদের ফোনের data অনেক বেশি consume করে থাকে।

    এরকম অনেক কারণে আমাদের ফোনের mobile data খুব দ্রুত শেষ হয়ে যায়। তবে আমরা যদি একটু সতর্ক থাকি তাহলে খুব সহজেই আমাদের ফোনের data অনেক save করতে পারব।

    Mobile Data কম খরচ করার ১২টি কার্যকর উপায়

    ১. Data Usage Check করুন

    আপনার Android ফোনে খুব সহজেই কোন app বেশি data consume করতেছে এটা চেক দিতে পারবেন এবং আপনি সে অনুযায়ী পরে ব্যাবস্থা নিতে পারবেন। প্রথমে দেখে নিন কোন অ্যাপ সবচেয়ে বেশি ডাটা ব্যবহার করছে।

    Path:
    Settings → Network & Internet → Data Usage

    এখানে সব অ্যাপের ডাটা ব্যবহার দেখা যায়। এখান থেকে আপনি দেখতে পারবেন আপনার কোন app কত MB আপনার ফোন থেকে ব্যাবহার করেছে।


    ২. Background Data বন্ধ করুন

    আপনার ফোনে অনেক অ্যাপ থাকে, যেই অ্যাপ গুলো আপনার ফোনের background এ চলে এবং background আপনার ফোনের mobile data consume করে থাকে। যেসব অ্যাপ দরকার নেই সেগুলোর Background Data Restrict করে দিন। আপনার যেসব app এ mobile data দরকার নেই এসব apps এর background data off করে দিন, যেন background থেকে আপনার ফোনের mobile data consume না করতে পারে।

    Path:
    Settings → Apps → App Info → Mobile Data → Disable Background Data – আপনি এই পদ্ধতি ব্যাবহার করে খুব সহজেই আপনার ফোনের background data বন্ধ করতে পারবেন।


    ৩. Data Saver Mode চালু করুন

    আপনার Android ফোন যদি Data Saver Mode চালু করেন তাহলে অনেক MB আপনি save করতে পারবেন। Android ফোনে Data Saver Mode চালু করলে অনেক অ্যাপ ব্যাকগ্রাউন্ডে ডাটা ব্যবহার করতে পারে না। যখন কোনো app background এ data ব্যাবহার করতে পারেনা background এ hidden ভাবে কোনো mb খরচ হয়না। আপনি যেই app এ প্রবেশ করবেন সেই app ই শুধু মাত্র আপনার mobile data consume করতে পারবে, অন্য কোনো open করে রাখা app আপনার mobile data consume করতে পারবে না।

    Path
    Settings → Network → Data Saver – আপনি আপনার ফোনে এই পদ্ধতি ব্যাবহার করে খুব সহজেই আপনার ফোনে Data Saver চালু করতে পারবেন। আপনি যদি এই option এ এইটা খুঁজে না পান তাহলে settings এ যান এবং সেখানে গিয়ে search দিন: Data Saver. কাজ শেষ এখন খুব সহজেই খুঁজে পাবেন এবং এটা enable করুন তাহলেই এটার মজা বুঝতে পারবেন।


    ৪. Auto App Update বন্ধ করুন

    আপনার ফোন যদি Auto App Update সেটিং on করে রাখেন তাহলে আপনার ফোনে automatic app update নিবে এবং আপনার permission ছাড়াই আপনার data consume হবে এবং app update হয়ে যাবে। যদি আপনি data save করতে চান এবং চান আপনার অনুমতি ছাড়া যেনো কোনো data consume না হয়। এটা করতে চাইলে নিচের method follow করে auto update apps নিচের মত করে নিন:

    Play Store → Settings → Network Preferences → Auto Update Apps →
    Select Update Over WiFi Only – কাজ শেষ।


    ৫. Video Quality কমিয়ে দিন

    আমরা YouTube এবং Facebook এ ভিডিও দেখে থাকি। আমাদের video quality যদি খুব বেশি হয়ে থাকে তাহলে আমাদের অজান্তেই অনেক বেশি Mb cost হবে যা আমারা বুঝতেই পারব না। এই কারণে আমরা YouTube বা Facebook ভিডিও দেখার সময় Auto বা HD থাকলে এটার বদলে 360p / 480p ব্যবহার করুন

    এতে প্রায় ৫০% পর্যন্ত ডাটা সেভ হবে


    ৬. Social Media Auto Video Play বন্ধ করুন

    আমরা social media ব্যাবহার করলে বেশির ভাগ সময় auto video play হয়ে থাকে, আমরা যদি auto video play বন্ধ করে রাখি তাহলে অনেক mb আমরা save করতে পারব। Facebook, Instagram, Twitter এ ভিডিও Auto Play বন্ধ করে দিন।

    এতে অপ্রয়োজনীয় ভিডিও ডাটা খরচ কমে যাবে।


    ৭. Offline Mode ব্যবহার করুন

    YouTube, Spotify বা Google Maps এর মতো অ্যাপগুলোতে Offline Download Feature আছে। আপনি চাইলে ডাউনলোড করে পড়ে offline এ ব্যাবহার করতে পারি। তাহলে mobile data save করা সম্ভব হবে।

    WiFi দিয়ে আগে ডাউনলোড করে রাখলে মোবাইল ডাটা কম লাগবে।


    ৮. Lite Version App ব্যবহার করুন

    যদি সম্ভব হয় Lite version Apps ব্যবহার করুন। আপনার ফোনে যদি mobile data আসলেই save করতে চান তাহলে আপনার ফোনে lite version app ব্যাবহার করতে পারেন। আপনার ফোন যদি lite version অ্যাপ ব্যাবহার করেন তাহলে অনেক mobile data আপনি অনেক বেশি save করতে পারবেন যা আপনার কল্পনার বাইরে।

    উদাহরণ

    • Facebook Lite
    • Messenger Lite
    • YouTube Lite

    এই অ্যাপগুলোতে ডাটা কম খরচ হয়


    ৯. Browser Data Saver চালু করুন

    Chrome Browser এ Lite Mode / Data Saver চালু করলে ওয়েবসাইট কম ডাটা ব্যবহার করে। আপনার browser এ যদি data saver চালু করে রাখেন, তাহলে অনেক data save করতে পারবেন browsing করার সময়।


    ১০. Automatic Sync বন্ধ করুন

    Google Account এর Auto Sync বন্ধ করলে অপ্রয়োজনীয় ডাটা ব্যবহার কমে যায়। আপনি নিচের পদ্ধতি ব্যাবহার করে খুব সহজেই Automatic Sync বন্ধ করতে পারবেন।

    Path
    Settings → Accounts → Auto Sync → Off


    ১১. Cloud Backup WiFi Only করুন

    আপনার cloud backup মানে Google Photos backup টা WiFi only করে দিন। এটা করতে নিচের পদ্ধতি follow করুন:

    Settings → Backup → WiFi Only


    ১২. Data Limit সেট করুন

    Android ফোনে Data Limit সেট করলে নির্দিষ্ট পরিমাণ ডাটা ব্যবহারের পর সতর্কবার্তা পাওয়া যায়। আপনার ফোনের Data যদি কম থাকে তাহলে এই feature টা অনেক বেশি কাজ করবে। আপনি Data Limit সেট করে রাখবেন, সেই data limit এর এক MB ও বেশি spend হবেনা। নিচের পদ্ধতি follow করে খুব সহজেই আপনি Data Limit সেট করতে পারবেন।

    Path
    Settings → Data Usage → Set Data Limit

    Mobile Data শেষ হয়ে যাওয়ার সমস্যা প্রায় সবার ফোনেই হয়ে থাকে। আপনি যদি কিছুটা হলেও আপনার mobile data save করতে চান তাহলে উপড়ের tips গুলো follow করতে পারেন। আসা কিছু কিছুটা হলেও আপনাদের বোঝাতে পেরেছি। তারপরেও আপনাদের কোথাও বুঝতে সমস্যা হলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানিয়ে দিবেন। আজকের মত এই পর্যন্তই। ভালো থাকবেন, নিরাপদ থাকবেন। ধন্যবাদ।